Tuesday, July 4, 2023

সম্পর্কের কবিতা

কত সুন্দর যে সম্পর্কের বিশ্বাস, 
মনের গভীর থেকে উঠে এল একটি আবাস। 
প্রেমের পাখি যে আকাশে উড়িয়েছে, 
আমাদের মিলনে জীবন সৃষ্টি গড়িয়েছে।

সহজেই বদলে যায় বিশ্বাসের পাখি, 
অজানা অনিচ্ছা ভুলে দেয় তার দূরত্বের সাথি।
 প্রতিটি কথা প্রতিটি ছলে ভরে, 
ভালোবাসার বৃষ্টি করে নতুন আকার কবে?

পরপুরুষের চোখে শব্দের মেঘ ছড়িয়ে,
 মহিলার আত্মরংগে সৃষ্টি করে স্বপ্নের ছায়া ফেলে। 
দুজনের মধ্যে যে সম্পর্ক বজায় আছে, 
সেই আলোর মাঝে আমরা স্থায়ীভাবে ভালোবাসি আপনাকে।

বন্ধুত্ব আছে যেন আমাদের হৃদয়ে, 
একটি সঙ্গীত যা বজায় যায় সব সময়ে। 
দুজনের মধ্যে বিশ্বাস ও সম্মান, 
একটি বাঁধন যা সম্পর্ককে করে শক্তিশালী ও মধুর।

প্রেমের পাখি যে আকাশে উড়িয়েছে, 
এই সম্পর্ক যেন বদলে না যায় যেকোনো অবস্থায়।
 প্রেমের আলো প্রতি পথে ছড়িয়ে, 
আমরা সব সময়ে ভালোবাসি আপনাকে।

প্রবাসের গীত


বিদেশে হেমন্তের বীণা আঁকতে এলো আমি, 
স্বপ্নের সাঁঝে শিশির কোলে মুখ মিলিয়ে নিয়েছি তুমি।
 চিরদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম বাহিরের নগরে, 
এখন পাঁচমিশালিতে আছি অন্ধকারে ওই সৌরভের ঘরে।

মাটির গহনে আঁকা পাখিদের নদীতে ভেসে যাই,
 তাদের আকাশে ফিরে যাওয়ার গান আমি করব কোথায়?
 জলের বিশাল সঙ্গীত চাই, মেঘের রঙিন ছায়া, 
প্রভাতের কুসুম আমার চোখে রেখেছে নিউ যর্কের দিনের বোকারা।

আছে আছে কোন রঙ কোন স্বপ্নের আশা ছাড়াই, 
কোন গল্পের অন্ধকারে ছড়িয়ে পড়িয়াছে এই জীবনের মুখে। 
মৃত্যুর অনুভূতি আছে কাঁদে কাঁদে অন্ধকারের শহরে,
 কিন্তু স্বপ্নের দিয়ে মিশে আমি আনতে চাই আবগারে।

বাহিরের গানে তুমি আছো, আমি একলা এই দিনে, 
ভেঙে নেওয়া প্রচুর শব্দ, ছড়িয়ে আছে পালাবদলের সিনে।
 কারো দিয়ে মেঘের রঙ ছিড়ে গেছে স্বপ্নের মতো হাসিটি,
 আমি একলা আছি বাতাসের মতো জলের সঙ্গীতি।

বিদেশের দিন একটা আবার আনো, হেমন্তের বীণা, 
তুমি ছাড়াই বলো এখন কি ভরে আছে আমার চোখের পুরীনা?
 অপেক্ষায় আছি আবার বিদেশের নগরে, 
তোমার সাথে শিশির কোলে মুখ মিলিয়ে নিয়েছি তুমি।

দিনের শেষে যখন সূর্য ডুবে যায় মৃত্যুর দালানে, 
প্রভাতের বিকেল জগতে ছড়িয়ে যায় স্বপ্নের পাহাড়ে। 
আমার হৃদয়ে কেউ জাগে নি, বিদেশের স্বপ্ন এসে মরে, 
প্রবাসের গীত আমার বাঁশি পানে বাজায় নি কেউ এখানে।

আমার বাঁশির সুর আঁকতে এলো আমি ভূমিকায়,
 স্বপ্নের মাঝে তুমি সাঁঝে আঁকার মুখ মিলায়েছি আমি। 
জীবনের রঙিন মাতালে পথে পালাবদল ছিড়িয়েছে,
 প্রবাসের গীত আমার সঙ্গীত হয়ে উঠুক প্রচুর আলোর মায়ায়।

Wednesday, May 3, 2017

Amar Janmokhan

শয়নশিয়রে উঠেছে রবি সবে 
জাগিয়াছি  আমি  সকলের কলরবে ,
অলস নয়ন মোর অধেক ছিল মুদে
জীবনদ্বারে  পরিচয় মোর প্রথম আর্তনাদে।
আকুল টানে এলাম আমি, এ মহানিকেতনে
মাতা মম করলো ঋণী, মম  জীবনদানে।
 আসিয়া  নব সংসারে আমি দেখি বসুন্ধরা
শস্য শ্যামলে পূর্ণ  এ দেশ, স্বপ্ন  দিয়ে ঘেরা।
হেরিলাম আমি, সর্ব ধর্ম নির্বিশেষে সকলে আপন মোরা,
অকুল সুখের রহস্যপারে বাঁধা আমার ধারা।
খানিক পরে মনে হল পৃথিবী মাতৃসম,
একান্তই পূর্ব পরিচিত , এ ভুবন মম ।
সুখ সমৃদ্ধ হৃদয় নিয়ে অভ্যার্থনা করে,
নব জীবনের আশা দিয়ে, তার একশো ত্রিশ কটি সন্তানেরে। 

Saturday, November 16, 2013

স্মৃতি

হয়তো আর হবেনা দেখা 
এ  স্টেশন তবু রবেনা একা। 
আসবেনা শুধু তুমি একা।। 
সেই সুদুরে রাস্তায় পারে 
একা যাবেনা আর আঁধারে। 
আসবেনা আর মুচকি হেসে 
ধরবেনা না তুমি হাতটি একা।
ওই গোলাপী পোশাক পরা  ঘোমটা  হারা তোমার চাওয়া,
আনবেনা আর গোপন খবর দিক পারে দেখ শান্ত হওয়া।
জানলার ফাঁকে দুষ্টু তুমি ,
আস্তে যাবেনা নয়না চুমি। 
সেই সে কথা বলছে হেথা 
দ্বিকবিজয়ের তরুণ বাথ্যা। 
পাখিরা আজ বলছে কথা 
শুধু তোমার ভেতর নায় যে ব্যাথা।।    


copyright@Rajib Mandal 

প্রেমবাজি ক্লাব

  মনিমানাদের প্রেমবাজি ক্লাব
     খেলাতে গেছে হেরে।
 দুইজনে তাই বাইরে আসেনা
   লজ্জায় ঘর ছেড়ে। 
 খবরটা শুনে সেদিন সকালে
 গেলাম ওদের বাড়ি। 
গিয়ে সেখানে আমি দেখি 
করে আছে মুখ ভারি। 
আমি বললাম কেন রে ভাই 
কেন করেছিস আড়ি। 
আরো  বলি শোন্ খেলতে গেছিস 
   ব্রাজিলেতে বারবার। 
প্রেমবাজি ক্লাব সেখানে কি জেতে ?
হার হয় শুধু প্রতিবার।


copyright@Rajib Mandal

Tuesday, September 3, 2013

মায়ের সাথে পিকনিক


শ্রাবণ মাস হলেও ,আকাশ টা আজ মেঘলা নয়,
চার পশে কোথাও জল জমে নেই। 
ছেলেটা বললে পিকনিক এ যাবে মা?
আর ভালোলাগছেনা রোজ বাড়ির রান্না
মা বললেন কি রান্না হবে?
পুরোপুরি বাঙালির রান্না হলে খুব ভালো হয়,
আর সাথে পায়েশ থাকলে-
বাবা বললেন কেমন হয়, ইলিস মাছ থাকলে?
ফাঁকা বাগানে পিকনিক হবে ঠিক হলো
দুপুরের কড়া রোদ নেই কিন্তু উনানের কড়া আগুন,
মুখে মায়ের হাসি, কিন্তু গরমে ঝলসে যাচ্ছিল
আমি সবার প্রথমে খাবো, পাগলটা বলে গেল
বিকালে ফিরে বাবা বললেন, আর এক দিন যওয়া চাই,
মালি বলল, রান্নাটা যা হয়েছিল না ভাই-
তোমার স্নেহ বুঝিনি আমি, দেখালে আমায় জন্মভূমি 
আমি অধম বুঝিনি মাগো আমার সর্গ তুমি।

                 Copyright@Rajib Mandal

Friday, August 30, 2013

লুকোচুরি

   টুকরো  কিছু হাসির মাঝে  লুকানো কিছু ব্যাথা 
আত্মা বন্দি  জীবন থেকে ভেসে আসে  কিছু কথা। 
    লোকগীতির অভ্যন্তরে থাকে গোপন মানে 
শ্রোতা শুধু  শুনতে মগ্ন , মানে কজন জানে ?

  ফিকে যখন হবে আকাশ উড়বে যখন ধুলো ,
পড়বে মনে হারানো সেই  সবুজ স্মৃতি গুলো। 
হয়তো  বা কেও একলা বসে, থাকবে ঘরের কোনে 
অভিমানের থাকবে ছটা , তবু পড়বে কাউকে মনে। 

স্বাধীনতার খোঁজে বা কেউ করবে ছোটাছুটি 
রোদ পড়লে দিনের শেষে হারাবে তার জুটি। 
হয়ত পাগল আপন মনে গেয়ে যাবে তার গান 
পাগলি হয়ত শুনবে  সেটা দেবেনা তবু প্রাণ। 

টুকরো টুকরো যন্ত্রনাতে হয়ত মরবে রুগী 
ডাক্তাররা  দেখলে বলবে , আমিতো ভুক্তভুগী।
মাঠের শেষে ওই দিগন্তে আকাশ যাবে ঝুকে 
ক্লান্ত পথিক মরবে একা জীবনের ছবি এঁকে।

তাকিয়ে  দেখো  জীবন দ্বারে দাড়িয়ে আছে কেও 
মনের মধ্যে উথলে উটছে  মন হারাবার ঢেউ। 
মনকে কেন লুকিয়ে রাখো বন্ধ অন্ধকারে ,
উঠেছে রবি এসেছে আলো তারে যে মিটাবারে। 

কেও পাবোনা কিছুই, হইতো জীবন হবে শুন্য,
তবু সবাই মিথ্যে দেখায় আত্মসুখে মগ্ন। 
লুকোচুরির এই খেলাতে জীবন আত্মভোলা 
ভালোবাসা আছে  অঢেল, মনের  দরজাটা  নেই খোলা। 

তাকিয়ে  দেখো  জীবন দ্বারে দাড়িয়ে আছে কেও 
মনের মধ্যে উথলে উটছে  মন হারাবার ঢেউ। 
মনকে কেন লুকিয়ে রাখো বন্ধ অন্ধকারে ,
উঠেছে রবি এসেছে আলো তারে যে মিটাবারে। 

কেও পাবোনা কিছুই, হইতো জীবন হবে শুন্য,
তবু সবাই মিথ্যে দেখায় আত্মসুখে মগ্ন। 
লুকোচুরির এই খেলাতে জীবন আত্মভোলা 
ভালোবাসা আছে  অঢেল, মনের  দরজাটা  নেই খোলা। 

                                                                                    Copyright@Rajib Mandal